‘দিলীপ ঘোষকে গুলি করে মারা উচিত - বললেন অনুব্রত

13th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
‘দিলীপ ঘোষকে গুলি করে মারা উচিত -  বললেন  অনুব্রত


নিউজ ডেস্কঃ  বীরভূমের লাভপুরে একটি দলীয় সভা ছিল তৃণমূলের। সেই সভাতেই উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি  অনুব্রত মণ্ডল । ওই সভা শেষে CAA বিরোধীদের দিলীপ ঘোষের গুলি করে মারার বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। দিলীপ ঘোষকে পালটা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “যদি কেউ সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে তবে তা দিলীপ ঘোষ করেছেন। তাই কেন্দ্র সরকারের দিলীপ ঘোষকে গুলি করে মারা উচিত।” বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল আগেও নানা ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এবার সেই তালিকাতেই যোগ হল দিলীপ ঘোষের গুলি করে মারার মন্তব্যের পালটা হুঁশিয়ারি। বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির মন্তব্যের জেরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। জেলা তৃণমূল সভাপতির মন্তব্যের জেরে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির।

উল্লেখ্য, নদিয়ার রানাঘাটের সভা থেকে CAA বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে রবিবার দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই রাজ্যে একটাও গুলি চলেনি, লাঠি চলেনি, এফআইআর হয়নি। কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। কিন্তু কেন করেনি? কারও বাপের সম্পত্তি নাকি? মানুষের করের টাকায় রেল-বাস, রেললাইন, রাস্তা করা হয়। সেসব নষ্ট করে দিয়েছে। অসম, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটকে এই শয়তানদের আমাদের সরকার গুলি করে মেরেছে কুকুরের মতো। তুলে নিয়ে গিয়ে কেস দিয়েছে। ওরা এখানে আসবে, খাবে, আর এখানকার সম্পত্তি নষ্ট করবে? জমিদারি পেয়েছে নাকি? লাঠিও মারব, গুলিও করব, জেলেও পাঠাবো। আর তাই করেছে আমাদের সরকার।’ এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। দলের অন্দরেও চাপে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য’ করেছেন বলেই তোপ দাগেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এহেন দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করতে গিয়েই বিতর্কে জড়ালেন অনুব্রত মণ্ডল। 





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’