রাজভবনে মোদীর মুখোমুখি মমতা

11th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজভবনে মোদীর মুখোমুখি মমতা


বাংলা নিউজঃ রাজভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে CAA  বাতিল করার আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার রাজভবন থেকে বের হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানালেন তিনি। এর পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া টাকা তাড়াতাড়ি মেটানোর জন্য নরেন্দ্র মোদিকে তিনি অনুরোধ করেছেন বলেও জানান। কোনও প্রধানমন্ত্রীর সফরে সাম্প্রতিক অতীতে কলকাতা জুড়ে এমন বিক্ষোভের নজির নেই। যাদবপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত, শহরের প্রান্তে প্রান্তে বিক্ষোভের আবহে, অতিরিক্ত প্রশাসনিক তত্পরতার মধ্যে নরেন্দ্র মোদীকে পৌঁছতে হল রাজভবনে। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পোর্ট ট্রাস্টের ১৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য শনিবার বিকেলে কলকাতায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়-সহ অন্যরা। এরপর সোজা রাজভবনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁর সঙ্গে ২২ মিনিট বৈঠক করেন।

আর এই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে CAA ও NRC বাতিল করার আবেদন জানিয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া থাকা ২৮ হাজার কোটি টাকা যাতে দ্রুত আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় তা নিয়ে অনুরোধ করেছি। কথা হয়েছে বুলুবলের ক্ষতিপূরণ নিয়েও। সব মিলিয়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা পাব আমরা। সমস্ত কথা শোনার পর প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে আসতে। সেখানেই এনিয়ে উনি আমার সঙ্গে আলোচনা করবেন।’





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’