সব ধরনের ক্রিকেটকে আলবিদা ইরফান পাঠানের

4th January 2020 খেলা
সব ধরনের ক্রিকেটকে আলবিদা ইরফান পাঠানের


বাংলা খবরঃ ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিক। একসময় ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১৫ বছর ভারতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর অবসর ঘোষণা করলেন ইরফান পাঠান (Irfan Pathan)। শনিবারই সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন ৩৫ বছর বয়সি অলরাউন্ডার।

তাঁর অনবদ্য সুইং একসময় অনেককেই মনে করাতো ওয়াসিম আক্রমের কথা। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দোর্দন্ডপ্রতাপ অজি ব্যাটসম্যানদের রক্তচক্ষু দেখানোর সাহস দেখিয়েছিলেন। পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে সেদেশের টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে সুইংয়ের জাদুতে আউট করে প্রথম হ্যাটট্রিক অর্জন করেন। কিন্তু, ভাগ্যের পরিহাসে পরিকল্পনামতো এগোয়নি কেরিয়ার। দীর্ঘদিন থাকতে হয়েছে জাতীয় দলের বাইরে। এমনকী, আইপিএলেও আর দল পাচ্ছেন না। এর জন্য অবশ্য অনেকে দায়ী করেন প্রাক্তন ভারতীয় কোচ গ্রেগ চ্যাপেলকে। সে যে কারণেই হোক। প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি ইরফানের কেরিয়ার। দেশের হয়ে মোট ২৯টি টেস্ট, ১২০টি ওয়ানডে, এবং ২৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর মোট শিকার ৩০১টি উইকেট।

ব্যাট হাতেও বেশ কিছু নজরকাড়া ইনিংস আছে ইরফানের। গুরু গ্রেগের আমলে বেশ কয়েকবার ৩ নম্বরে ব্যাট করারও সুযোগ পান। আসলে গ্রেগ চ্যাপেল তাঁকে পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার বানাতে চেয়েছিলেন। আর তাতেই বোলিং থেকে ফোকাস নড়ে যায় পাঠানের। ধীরে ধীরে কমতে থাকে গতি। এবং শেষদিকে সুইংও কমে যায়। যার ফলে দলে আর নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছিলেন না। শেষবার ভারতের হয়ে টেস্ট খেলেছেন ২০০৮ সালে। সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেছেন ২০১২ সালে। গতবছর পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীর রনজি দলের হয়ে খেলতেন। কাশ্মীরের মেন্টরের ভূমিকাতেও দেখা গিয়েছে পাঠানকে। তবে শনিবার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার মতো উৎসাহও তাঁর নেই। তবে, দেশের বাইরে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে দেখা যেতে পারে ইরফানকে। সে রাস্তা তিনি খোলা রেখেছেন।





Others News

বিরাট ও রাহুলের ব্যাটের জোরে ম্যাচ জিতলো ভারত

বিরাট ও রাহুলের ব্যাটের জোরে ম্যাচ জিতলো ভারত


বাংলা নিউজঃ শুক্রবার নিজামের শহরে প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ উইকেটে ২০৭ রান তোলার পর অতি বড় ভারতীয় সমর্থকও হয়তো ভাবেননি, টিম ইন্ডিয়া ৮ বল বাকি থাকতেই মাত্র ৪ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ম্যাচ এত সহজে জিতে যাবে। আসলে বিরাট ক্রিজে থাকলে সবই সম্ভব। অসাধ্য সাধন করাই যে তাঁর নেশা। কোহলির দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে ক্যারিবিয়ান বোলারদের যাবতীয় প্রতিরোধ। লোকেশ রাহুলের গড়ে দেওয়া ভিতে জয়ের মিনার গড়েছেন কিং কোহলি। কব্জির মোচড়ে উইলিয়ামসের বলে ছক্কা হাঁকানোর পর তাঁর অভিব্যক্তি নজর কেড়েছে দর্শকদের। ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতানোর পর সিংহের মতো গর্জন করেছেন ‘রান মেশিন’। ৫০ বলে তিনি ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬টি করে বাউন্ডারি এবং ওভার বাউন্ডারি উপহার দিয়েছেন তিনি।