বছরের শুরুতেই বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

2nd January 2020 ভারত
বছরের শুরুতেই বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম


বাংলা খবরঃ নতুন বছরের গোড়াতেই রান্না্র গ্যাসের দাম বাড়ল। বছরের শেষে ভরতুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির কথা ঘোষণা হয়েছিল। নতুন বছরের প্রথমদিন থেকে সেই নতুন দাম কার্যকর হল। জানা গিয়েছে, এক ধাক্কায় ভরতুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ২১ টাকা ৫০ পয়সা। ফলে এখন কলকাতার বাজারে ভরতুকিহীন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াল ৭৪৭ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাসের দাম। অবশ্য তাতেও স্বস্তিতে নেই মধ্যবিত্ত।

এখন à¦•েন্দ্রীয় à¦¸à¦°à¦•ার à¦¬à¦›à¦°à§‡ ১৪.২ কেজি ওজনের ১২টি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে ভরতুকি দেয়। কিন্তু à¦­à¦°à¦¤à§à¦•িহীন দামেই à¦¸à§‡à¦‡ à¦—্যাস সিলিন্ডার কেনেন গ্রাহক। à¦ªà¦°à§‡ ভরতুকির টাকা সরাসরি গ্রাহকের à¦¬à§à¦¯à¦¾à¦‚ক অ্যাকাউন্টে চলে যায়। à¦«à¦²à§‡ নতুন বছরের à§§ জানুয়ারি থেকে ওই ওজনের গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে গ্রাহকদের ৭৪৭ টাকাই দিতে হবে। বছরে à§§à§¨à¦Ÿà¦¿à¦° বেশি সিলিন্ডারের নেওয়া à¦¹à¦²à§‡ à¦†à¦° কোনও ভরতুকি পান না গ্রাহকরা। এবার সেই ভরতুকিহীন রান্নার গ্যাসের দামই বেড়ে গেল।

প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের শুরুতেই ভরতুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়েছিল এক দফা। সেই সময় এক লপ্তে প্রায় ১৯ টাকা দাম বাড়ানো হয়। এরপর মাসের শেষে ফের দাম বাড়ায় মাথায় হাত মধ্যবিত্তের একাংশের। পরিসংখ্যান বলছে, এই নিয়ে গত চারমাসে ভরতুকিহীন সিলিন্ডারের দাম মোট ১৪৬ টাকা বাড়ানো হল।

সম্প্রতি à¦†à¦¨à§à¦¤à¦°à§à¦œà¦¾à¦¤à¦¿à¦• বাজারে à¦¦à¦¾à¦®à§‡à¦° ওঠাপড়ার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি à¦—্যাসের মূল্য নির্ধারণ করে। à¦«à¦²à§‡ à¦ªà§à¦°à¦¤à¦¿ মাসে গ্যাসের দাম ওঠানামা à¦•রে। তার à¦¸à¦™à§à¦—ে তাল মিলিয়ে বদলে যায় ভরতুকির পরিমাণও। à¦¦à§à¦°à§à¦—াপুজোর আগেই ভরতুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সে বার কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের à¦®à¦¤à§‡à¦¾ মেট্রো শহরে à§§à§ª.২ কেজি ওজনের ভরতুকিবিহীন গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ১২.à§« থেকে à§§à§« টাকা বাড়ানো হয়েছিল। আরও একবার গ্যাসের দাম বাড়ালো রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলি।





Others News

দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে

 দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে


নিউজ ডেস্কঃ হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিদের সঙ্গে গ্রেফতার জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি দেবেন্দ্র সিংহের মামলা হাতে নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে দেবেন্দ্র যে হিজবুল জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নামিয়ে আনছিলেন তারা পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে হওয়া দু’টি অভিযানের প্রতিশোধ নিতে দিল্লি, পঞ্জাব অথবা চণ্ডীগড়ে বড় মাপের বিস্ফোরণের ছক কষেছিল। সূত্রের খবর, ধৃত ডিএসপি-কে কাশ্মীরে জিজ্ঞাসাবাদের পরে দিল্লিতে নিয়ে এসে ফের এক দফা জেরা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ দিকে গত বছর লোকসভা ভোটের ঠিক আগে পুলওয়ামায় আধাসেনার কনভয়ে বিস্ফোরণের সময়ে সেখানে দেবেন্দ্রের উপস্থিতি নিয়ে আজ তরজায় জড়িয়ে পড়ে কংগ্রেস ও বিজেপি। 

শনিবার কুলগামের কাছে ধরা পড়েছিলেন দেবেন্দ্রে নামে ওই অফিসার ও জঙ্গিরা। অভিযোগ, ধৃত জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নিয়ে আসার জন্য জঙ্গি পিছু ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন ওই অফিসার। গত ক’দিন ধরে উপত্যকায় প্রবল তুষারপাতের কারণে সড়কে যাতায়াত কার্যত বন্ধ রয়েছে। সূত্রের খবর, সে কারণে আপাতত কাজিগুণ্ডের কাছে রাখা হয়েছে ওই পুলিশ অফিসার ও জঙ্গিদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ মর্যাদা লোপের পরে কাশ্মীরে নজরদারি বাড়ায় সমতলে হামলার ছক কষছিল ওই জঙ্গিরা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, হামলার পরিকল্পনায় দেবেন্দ্রের মোবাইল ফোনও ব্যবহার করে তারা। অন্য জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও অস্ত্র-গোলাবারুদের জোগান সম্পর্কিত আলোচনা হয় ওই ফোনের মাধ্যমে। জঙ্গিদের সঙ্গে দেবেন্দ্রের ঘনিষ্ঠতা কোন পর্যায়ে গিয়েছিল, বাহিনীর আর কোনও অফিসার অর্থের বিনিময়ে জঙ্গিদের হয়ে কাজ করেন কি না তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্রের নামে থাকা পুরনো অভিযোগের ফাইল খোলা হচ্ছে। ২০০১ সালে সংসদ হামলায় অন্যতম দোষী আফজল গুরু ওই কাণ্ডে দেবেন্দ্রের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিল। আফজলের অভিযোগ ছিল, দেবেন্দ্রের চাপে পড়েই তাকে সংসদ হামলাকারী এক জঙ্গির দিল্লিতে থাকা ও গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে হয়েছিল। আফজলের সেই পুরনো অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিআইজি ইশরার খানের কথায়, ‘‘ওই ব্যক্তির নামে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ অফিসার টাকার লোভে এই ধরনের কাজ করে বাহিনীর বদনাম করে।’’ আজই কেন্দ্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্র সিংহ কোনও রাষ্ট্রপতি পদক পাননি। তবে ২০১৭ সালে পুলওয়ামাতে জঙ্গি দমনে সাহসিকতার জন্য রাজ্যস্তরে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করেছিল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।