রাজ্যের তিন জায়গায় ডব্লুবিসিএসদের জন্য আবাসন তৈরির উদ্যোগ রাজ্যের

2nd January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্যের তিন জায়গায় ডব্লুবিসিএসদের জন্য আবাসন তৈরির উদ্যোগ রাজ্যের


কলকাতা: ডব্লুবিসিএস (এগজিকিউটিভ) অফিসারদের জন্য রাজ্যের তিন জায়গায় নিজস্ব মালিকানার আবাসন তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজারহাট নিউটাউন, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়িতে তিনটি আবাসন প্রকল্প করার জন্য জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর এব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, আবাসন দপ্তরের মাধ্যমে প্রকল্প তিনটি রূপায়িত হবে। প্রকল্প থেকে কোনও লাভ রাখা হবে না। মোট কতগুলি ফ্ল্যাট তৈরি হবে, তার মূল্য কত হবে, সেই সব বিষয় নিয়ে পরে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে সরকার। এই প্রকল্পে ফ্ল্যাট ঩নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক ঋণের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে।
‘আকাঙ্খা’ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের জন্য আবাসন প্রকল্প তৈরির উদ্যোগ আবাসন দপ্তর নিয়েছে। নিউটাউনে প্রায় à§« একর জমিতে আকাঙ্খা প্রকল্পে আবাসন তৈরি হচ্ছে। এখানে ১০ তলা উচ্চতার সাতটি টাওয়ারে মোট ৫৭৬টি ফ্ল্যাট হচ্ছে। মোট পাঁচ ধরনের ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে এখানে। কিন্তু সব ফ্ল্যাট এখনও বিক্রি না হওয়ায় সম্প্রতি তিনটি শ্রেণীর ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে আবাসন দপ্তর।
এবার রাজ্যের তিন জায়গায় যে আবাসন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা শুধু ডব্লবিসিএস (এগজিকিউটিভ)-দের জন্য। কোনও ডব্লুবিসিএস অফিসার পদোন্নতি পেয়ে আইএএস হলেও আবেদন করতে পারবেন। নিউটাউনে এই প্রকল্পের জন্য ৫.৪১ একর, দুর্গাপুরের গোপীনাথপুর মৌজায় এক একর ও শিলিগুড়ির কাছে ছোটাপাথুরাম মৌজায় দুই একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০১৪ সালের মূল্যমান অনুযায়ী জমির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নিউটাউনের জমির মোট দাম হবে ১৬ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। শিলিগুড়ির জমির দাম ৭৮ লক্ষ টাকা। দুর্গাপুরের জমির দাম নির্ধারণ করবে এডিডিএ।
রাজ্যের অন্যত্র সাধারণ কর্মী ও আধিকারিকদের জন্য আকাঙ্খা প্রকল্পে আরও আবাসন তৈরির পরিকল্পনা ছিল সরকারের। এর জন্য জমি খোঁজার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু নিউটাউনের প্রকল্পের সব ফ্ল্যাট এখনও বিক্রি না হওয়ায় কিছুটা ধীর গতিতে চলছে সরকার।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’