ছ’কোটি রেশন গ্রাহকের আধার সংযুক্তিকরণ সম্পূর্ণ রাজ্যে

27th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
 ছ’কোটি রেশন গ্রাহকের আধার সংযুক্তিকরণ সম্পূর্ণ রাজ্যে


রেশন কার্ডঃ রাজ্যের প্রায় ৫ কোটি ৭০ লক্ষ রেশন গ্রাহকের আধার নম্বর সংযুক্তিকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহের শেষাশেষি পর্যন্ত সময়ে এটা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রেশন গ্রাহকদের আধার নম্বর সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছিল। ডিসেম্বরের মধ্যে এই কাজ আরও অনেকটা এগিয়ে যাবে বলে খাদ্য দপ্তর আশা করছে। জানুয়ারি মাসেও আধার সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় সরকার নিজে থেকেও সময়সীমা আরও বাড়াবে বলে মনে করছে খাদ্য দপ্তর। মার্চ মাস পর্যন্ত সময় বাড়তে পারে। কারণ রেশন ব্যবস্থা পুরোপুরি কম্পিউটার পরিচালিত করার জন্য ওই সময়সীমা অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে আছে।
রেশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে আধার সংযুক্তিকরণের এই সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারও মেনে নিয়েছে। রাজ্য সরকারের নিজের খরচে যে খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প চলে, তার গ্রাহকদের আধার সংযুক্তিকরণ করা হচ্ছে। রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে গ্রাহকের সংখ্যা এখন প্রায় ৩ কোটি ১৫ লক্ষ। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে রেশন গ্রাহকের সংখ্যা ৬ কোটি ১ লক্ষ। সব মিলিয়ে সরকারি হিসেবে এখন রা঩জ্যে মোট রেশন গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ১৭ লক্ষ। গত কয়েক মাসের মধ্যে দুই দফায় নতুন রেশন কার্ডের আবেদন জমা নেওয়ার জন্য বিশেষ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েক লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। পারিবারিক আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখে আবেদনকারীদের ভর্তুকির খাদ্য সরবরাহের রেশন কার্ড দেওয়ার কাজ এবার শুরু হবে। এই রেশন গ্রাহকরা রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের কার্ড পাবেন। সব মিলিয়ে ভর্তুকির খাদ্য পাওয়ার রেশন গ্রাহকের সংখ্যা রাজ্যে ১০ কোটির কাছাকাছি চলে আসতে পারে।
এই দফায় যে নতুন রেশন কার্ড দেওয়া হবে তা সরাসরি গ্রাহকদের বাড়িতে পৌঁছে যাবে। ফলে ওই গ্রাহকদের রেশন দোকানে গিয়ে ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেলস যন্ত্রে আধার নম্বর সংযুক্তিকরণ করতে হবে। গত কিছু সময় ধরে খাদ্য দপ্তরের অফিস থেকে নতুন রেশন কার্ড ইস্যু করার সময় আধার সংযুক্তিকরণ করে দেওয়া হচ্ছিল। এভাবে প্রায় এক কোটি রেশন কার্ডে আধার নম্বর যুক্ত করা হয়েছে। বাকি সংযুক্তিকরণ রেশন ডিলারের কাছে হয়েছে। বাকি কাজ এখন মূলত রেশন ডিলারের কাছে হবে। আধার সংযুক্তিকরণ সম্পূর্ণ হলে খাদ্য নেওয়ার সময় আঙুলের ছাপের মাধ্যমে আধার নম্বর যাচাই করা হবে। ওই কাজ এখনও রাজ্যে শুরু হয়নি।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’