কলকাতা সহ সাত জেলায় ৪০ শতাংশের বেশি আসন খালি

27th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
কলকাতা সহ সাত জেলায় ৪০ শতাংশের বেশি আসন খালি


শিক্ষাঃ কলেজে স্নাতকস্তরে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে প্রথম সেমেস্টারও শেষ হওয়ার মুখে। ২০১৯-২০ সালে বিভিন্ন কলেজে কত ভর্তি হল, জেলাভিত্তিকই বা কোথায় কত খালি আসন রইল, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে রিপোর্টও পাঠিয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। জানা গিয়েছে, সাতটি জেলায় ৪০ শতাংশের বেশি শূন্য আসন থেকে গিয়েছে। যার মধ্যে কলকাতা অন্যতম। গোটা রাজ্যে গড়ে ৩৩ শতাংশের বেশি আসন খালি থেকে গিয়েছে। শিক্ষা দপ্তরের মতে, এই বিপুল সংখ্যক আসন খালি থাকার পিছনে যেমন সংরক্ষণ দায়ী, তেমনই বহু পড়ুয়াই এখন নানা চাকরিমুখী কোর্সে ভর্তি হয়ে যাচ্ছেন। তাই সাধারণ ডিগ্রি কলেজের আসন খালি থেকে যাচ্ছে।
একবার নয়, তিনবার ভর্তির দিন বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তারপরও যা অবস্থা, তাতে রাজ্যের সাধারণ ডিগ্রি কলেজের ভর্তির হারের করুণ চিত্রই উঠে এসেছে। কলকাতায় ৬০টি কলেজ রয়েছে। তাদের মোট আসন সংখ্যা ৮০ হাজারের বেশি। কিন্তু ভর্তি হয়েছেন মাত্র ৫০ হাজারের মতো পড়ুয়া। খালি থেকে গিয়েছে ৩০ হাজারের উপর আসন। শতাংশের বিচারে যা ৪০। তবে সবচেয়ে বেশি শূন্য আসন রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে। সেখানে আটটি কলেজের প্রায় ১৩ হাজার আসনের মধ্যে খালি সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি আসন (৪৪ শতাংশের বেশি)। উত্তরবঙ্গে একাধিক জেলায় এমন অবস্থা উঠে এসেছে। দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ারে শূন্য আসন যথাক্রমে ৪২ এবং ৪৩ শতাংশ।
দুই ২৪ পরগনার মধ্যে দক্ষিণের অবস্থা অনেকটাই ভালো। দুই জেলাতেই কলেজের সংখ্যা প্রায় একই। উত্তরে যেখানে প্রায় ২৫ হাজার আসন ফাঁকা রয়ে গিয়েছে, সেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সেই সংখ্যা ১৮ হাজারের কিছু বেশি। কলকাতা ছাড়া যে জেলাগুলিতে ৪০ শতাংশ বা তার বেশি আসন খালি রয়েছে, তার মধ্যে বর্ধমান (৪১ শতাংশ), পুরুলিয়া আছে। পুরুলিয়ায় ১৯টির মধ্যে সাতটি কলেজ তথ্য জমা দেয়নি। তাতেই ৩৯ শতাংশের বেশি আসন খালি রয়ে গিয়েছে। শিক্ষা দপ্তরের মতে, সবাই তথ্য দিলে তা ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতই।
তবে এমনও জেলা রয়েছে, যেখানে ফাঁকা আসনের হার ২০ শতাংশ বা তার আশপাশে। যেমন মালদহে ১১টি কলেজের ৩১ হাজারের বেশি আসনের মধ্যে খালি রয়ে গিয়েছে সাত হাজারের বেশি আসন। উত্তর দিনাজপুরেও ২১ শতাংশের মতো শূন্য আসন রয়েছে। দুই মেদিনীপুরের অবস্থাও তুলনামূলকভাবে ভালোই। পশ্চিম মেদিনীপুরে শূন্য আসনের সংখ্যা ৩৬০০র মতো এবং পূর্ব মেদিনীপুরে থেকে গিয়েছে সাত হাজারের মতো আসন। নদীয়াতেও পরিস্থিতি ভালো। সেখানে ২২ শতাংশ আসন খালি রয়েছে।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’