নারী সুরক্ষায় নামছে কলকাতা পুলিশের নয়া মহিলা ব়্যাফ ব্যাটালিয়ন

26th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
নারী সুরক্ষায় নামছে কলকাতা পুলিশের নয়া মহিলা ব়্যাফ ব্যাটালিয়ন


বাংলা নিউজঃ  কলকাতা পুলিশের মহিলা ব়্যাফ ব্যাটালিয়ন। ব়্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের সদস্যদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নারী সুরক্ষা ও আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়বে পুলিশের এই প্রমীলা বাহিনীও। মহিলা ব়্যাফের ব্যাটালিয়নে থাকছে ৮০০ জন পর্যন্ত সদস্য। খোঁজ চলছে ব্যারাকের জমির জন্য। এমনটাই জানা গেল লালবাজার সূত্রে।

লালবাজার সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশ থেকে যে দু’শো মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্তত ৭০ জনকে নিয়ে প্রাথমিকভাবে তৈরি হচ্ছে ব়্যা‌ফের নতুন একটি কোম্পানি। যদিও এখন ব়্যাফের মহিলা বাহিনী রয়েছে। তা অনেকটাই ছোট। কয়েকটি সেকশন মাত্র। কিন্তু মহিলা ব়্যাফের এই সংখ্যা যথেষ্ট নয় বলে ধারণা লালবাজারের পুলিশকর্তাদের। সাধারণতঃ শহরে বড় কোনও ঘটনা ঘটলেই ব়্যাফ নামানো হয়। কিন্তু কোথাও আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে অথবা বড় কোনও বিপদ আটকানোর প্রয়োজন হলে থানা বা সশস্ত্র বাহিনীর মহিলা পুলিশ মোতায়েন করা হলেও প্রয়োজন পড়ে বিশেষ পুলিশ বাহিনীর। তাই আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে নামানো হয় মহিলা ব়্যাফ। এই সংখ্যা বাড়ানোর জন্য মহিলা ব়্যাফের একটি ‘কোম্পানি’ তৈরি করা হচ্ছে। চলছে তাঁদের প্রশিক্ষণ। 





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’