জানুয়ারি থেকে বর্ধিত হারে বেতন সরকারি কর্মীদের

26th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
জানুয়ারি থেকে বর্ধিত হারে বেতন সরকারি কর্মীদের


বাংলা নিউজঃ  কলকাতা: আগামী জানুয়ারি মাস থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে বর্ধিত হারে বেতন পাবেন। অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনও বাড়বে। তার জন্য সরকারি পর্যায়ে নানা তৎপরতা চলছে। কিন্তু জানুয়ারি মাসে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (স্যাট)-এ মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি রয়েছে। এই মামলার কোনও প্রভাব বর্ধিত হারে বেতন পাওয়ার উপর পড়ে কি না, কর্মিমহলে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। আগামী ৯ জানুয়ারি মামলাটি শুনানির দিন রয়েছে।
কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের দায়ের করা ডিএ মামলাটির চূড়ান্ত নিস্পত্তি করার দায়িত্ব স্যাটের উপর ছেড়ে দিয়েছিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। গত ২৬ জুলাই ওই মামলার রায় দেয় স্যাট। সেই রায়ে বলা হয়েছিল, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বর্ধিত ভাতা দেওয়ার আগে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর না হলে এক বছরের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটাতে বলা হয়েছিল। বকেয়া মেটানোর ব্যাপারে তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে নীতি ঘোষণা করতে বলা হয়েছিল।
কিন্তু ডিএ-র ব্যাপারে রাজ্য সরকার এখনও কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে চালু করা হল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের ভিত্তিতে সরকারি কর্মীদের নতুন বেতন হার নির্ধারিত হবে। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের পর বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধির সুবিধাও কর্মীদের দিচ্ছে সরকার। কিন্তু ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনও বকেয়া টাকা দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ-র নিরিখে অনেক টাকা বকেয়া আছে রাজ্য কর্মীদের। কেন্দ্রীয় সরকারি হারে ডিএ দেওয়ার জন্য স্যাট নির্দেশ দিয়েছে বলে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন। 





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’