সংবিধান বিরোধী CAA ও NRC এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আলিপুরদুয়ার জেলা জুড়ে ।

15th December 2019 ভারত
সংবিধান বিরোধী CAA ও NRC এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আলিপুরদুয়ার জেলা জুড়ে ।


আবিদ হোসেনঃ সংবিধানবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক আইন CAA ও NRC এর বিরুদ্ধে সাড়া আলিপুরদুয়ার জেলা জুড়ে চলছে প্রতিবাদ । আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন শহরে ধর্মনিরপেক্ষ ও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামে । আলিপুরদুয়ার , বীরপাড়া , জয়গাঁ, ফালাকাটা সহ বিভিন্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ মিছিলে মুসলিমদের সাথে পা মিলিয়েছেন বিভিন্ন ধর্মের মানুষ । নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এবং এনআরসির বিরুদ্ধে রবিবার নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুণ্ডার নেতৃত্বে পথে নামলো তৃণমূল কংগ্রেস।গতকাল বীরপাড়ায় ভারতের ছাত্র ফেডারেশন এর আলিপুরদুয়ার জেলা কমিটির পক্ষ থেকে প্রকাশ্য সমাবেশ করে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন বলে জানান জেলা ছাত্র নেতা দীপক বর্মন । এদিকে আগামী 19শে ডিসেম্বর বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে সাড়া রাজ্যে এর প্রতিবাদ মিছিল করা হবে বলে পার্টি সূত্রে খবর । মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারী এই সংবিধান বিরোধী আইনের প্রতিবাদ হোক শান্তিপূর্ণ ভাবে , কোনো প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আহ্বান জানান জেলার বিশিষ্টমহল ।





Others News

দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে

 দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে


নিউজ ডেস্কঃ হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিদের সঙ্গে গ্রেফতার জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি দেবেন্দ্র সিংহের মামলা হাতে নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে দেবেন্দ্র যে হিজবুল জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নামিয়ে আনছিলেন তারা পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে হওয়া দু’টি অভিযানের প্রতিশোধ নিতে দিল্লি, পঞ্জাব অথবা চণ্ডীগড়ে বড় মাপের বিস্ফোরণের ছক কষেছিল। সূত্রের খবর, ধৃত ডিএসপি-কে কাশ্মীরে জিজ্ঞাসাবাদের পরে দিল্লিতে নিয়ে এসে ফের এক দফা জেরা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ দিকে গত বছর লোকসভা ভোটের ঠিক আগে পুলওয়ামায় আধাসেনার কনভয়ে বিস্ফোরণের সময়ে সেখানে দেবেন্দ্রের উপস্থিতি নিয়ে আজ তরজায় জড়িয়ে পড়ে কংগ্রেস ও বিজেপি। 

শনিবার কুলগামের কাছে ধরা পড়েছিলেন দেবেন্দ্রে নামে ওই অফিসার ও জঙ্গিরা। অভিযোগ, ধৃত জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নিয়ে আসার জন্য জঙ্গি পিছু ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন ওই অফিসার। গত ক’দিন ধরে উপত্যকায় প্রবল তুষারপাতের কারণে সড়কে যাতায়াত কার্যত বন্ধ রয়েছে। সূত্রের খবর, সে কারণে আপাতত কাজিগুণ্ডের কাছে রাখা হয়েছে ওই পুলিশ অফিসার ও জঙ্গিদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ মর্যাদা লোপের পরে কাশ্মীরে নজরদারি বাড়ায় সমতলে হামলার ছক কষছিল ওই জঙ্গিরা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, হামলার পরিকল্পনায় দেবেন্দ্রের মোবাইল ফোনও ব্যবহার করে তারা। অন্য জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও অস্ত্র-গোলাবারুদের জোগান সম্পর্কিত আলোচনা হয় ওই ফোনের মাধ্যমে। জঙ্গিদের সঙ্গে দেবেন্দ্রের ঘনিষ্ঠতা কোন পর্যায়ে গিয়েছিল, বাহিনীর আর কোনও অফিসার অর্থের বিনিময়ে জঙ্গিদের হয়ে কাজ করেন কি না তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্রের নামে থাকা পুরনো অভিযোগের ফাইল খোলা হচ্ছে। ২০০১ সালে সংসদ হামলায় অন্যতম দোষী আফজল গুরু ওই কাণ্ডে দেবেন্দ্রের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিল। আফজলের অভিযোগ ছিল, দেবেন্দ্রের চাপে পড়েই তাকে সংসদ হামলাকারী এক জঙ্গির দিল্লিতে থাকা ও গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে হয়েছিল। আফজলের সেই পুরনো অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিআইজি ইশরার খানের কথায়, ‘‘ওই ব্যক্তির নামে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ অফিসার টাকার লোভে এই ধরনের কাজ করে বাহিনীর বদনাম করে।’’ আজই কেন্দ্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্র সিংহ কোনও রাষ্ট্রপতি পদক পাননি। তবে ২০১৭ সালে পুলওয়ামাতে জঙ্গি দমনে সাহসিকতার জন্য রাজ্যস্তরে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করেছিল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।