জাদব পায়েং ও এক অরণ্য ভূমির গল্প ।

11th December 2019 ভারত
জাদব পায়েং ও এক অরণ্য ভূমির গল্প ।


সাবির আলিঃ মানুষ এবং প্রকৃতির সম্পর্ক মানুষ সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই । যে প্রকৃতি আমাদের কে বেঁচে থাকার রসদ জুগিয়েছে ,সেই প্রকৃতি কেই আজ কিছু মানুষ ধ্বংস করছে অবলীলায় । তবুও এমন কিছু মানুষ আছেন এখনও যারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন সেই প্রকৃতি কে বাঁচিয়ে রাখার । এমনই একজন হলেন আসামের পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত জাদব পায়েং যাকে ভারতের অরন্য মানুষ বলা হয় । ছেলে বেলায় দেখেছিলেন শুধু মাত্র গাছের অভাবে বন্যাকবলিত একটা বালুচরে হাজার হাজার সরীসৃপ প্রাণী কে মারা যেতে । সে দিন থেকেই প্রকৃতি কে বাঁচিয়ে রাখার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন । ঐ বালুচরে বৃক্ষরোপণের জন্য দ্বারস্থ হন বহু দপ্তরের কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়না । অবশেষে নিজেই তুলে নেয় বৃক্ষরোপণের দায়িত্ব , সেই থেকে হাজার হাজার গাছ লাগান তিনি কয়েক দশক ধরে আসামের জোরহাটের ঐ বালুচরে । তার পরিচর্যায় ব্রক্ষপুত্র নদীর সেই 1360 acres এর চর আজ গভীর অরণ্যে পরিণত । আজ সেখানে বসবাস করে হাজার হাজার বন্য প্রাণী । অসংখ্য পাখির কলতানে মুখরিত সেই চর এখন যা মোলাই অরন্য নামে পরিচিত । এ ভাবেই হয়তো প্রকৃতি বাঁচাতে জাদবের মত মানুষ গুলি কে ঈশ্বর সৃষ্টি করেন প্রকৃতির কোলে ।





Others News

দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে

 দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে


নিউজ ডেস্কঃ হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিদের সঙ্গে গ্রেফতার জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি দেবেন্দ্র সিংহের মামলা হাতে নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে দেবেন্দ্র যে হিজবুল জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নামিয়ে আনছিলেন তারা পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে হওয়া দু’টি অভিযানের প্রতিশোধ নিতে দিল্লি, পঞ্জাব অথবা চণ্ডীগড়ে বড় মাপের বিস্ফোরণের ছক কষেছিল। সূত্রের খবর, ধৃত ডিএসপি-কে কাশ্মীরে জিজ্ঞাসাবাদের পরে দিল্লিতে নিয়ে এসে ফের এক দফা জেরা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ দিকে গত বছর লোকসভা ভোটের ঠিক আগে পুলওয়ামায় আধাসেনার কনভয়ে বিস্ফোরণের সময়ে সেখানে দেবেন্দ্রের উপস্থিতি নিয়ে আজ তরজায় জড়িয়ে পড়ে কংগ্রেস ও বিজেপি। 

শনিবার কুলগামের কাছে ধরা পড়েছিলেন দেবেন্দ্রে নামে ওই অফিসার ও জঙ্গিরা। অভিযোগ, ধৃত জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নিয়ে আসার জন্য জঙ্গি পিছু ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন ওই অফিসার। গত ক’দিন ধরে উপত্যকায় প্রবল তুষারপাতের কারণে সড়কে যাতায়াত কার্যত বন্ধ রয়েছে। সূত্রের খবর, সে কারণে আপাতত কাজিগুণ্ডের কাছে রাখা হয়েছে ওই পুলিশ অফিসার ও জঙ্গিদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ মর্যাদা লোপের পরে কাশ্মীরে নজরদারি বাড়ায় সমতলে হামলার ছক কষছিল ওই জঙ্গিরা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, হামলার পরিকল্পনায় দেবেন্দ্রের মোবাইল ফোনও ব্যবহার করে তারা। অন্য জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও অস্ত্র-গোলাবারুদের জোগান সম্পর্কিত আলোচনা হয় ওই ফোনের মাধ্যমে। জঙ্গিদের সঙ্গে দেবেন্দ্রের ঘনিষ্ঠতা কোন পর্যায়ে গিয়েছিল, বাহিনীর আর কোনও অফিসার অর্থের বিনিময়ে জঙ্গিদের হয়ে কাজ করেন কি না তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্রের নামে থাকা পুরনো অভিযোগের ফাইল খোলা হচ্ছে। ২০০১ সালে সংসদ হামলায় অন্যতম দোষী আফজল গুরু ওই কাণ্ডে দেবেন্দ্রের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিল। আফজলের অভিযোগ ছিল, দেবেন্দ্রের চাপে পড়েই তাকে সংসদ হামলাকারী এক জঙ্গির দিল্লিতে থাকা ও গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে হয়েছিল। আফজলের সেই পুরনো অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিআইজি ইশরার খানের কথায়, ‘‘ওই ব্যক্তির নামে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ অফিসার টাকার লোভে এই ধরনের কাজ করে বাহিনীর বদনাম করে।’’ আজই কেন্দ্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্র সিংহ কোনও রাষ্ট্রপতি পদক পাননি। তবে ২০১৭ সালে পুলওয়ামাতে জঙ্গি দমনে সাহসিকতার জন্য রাজ্যস্তরে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করেছিল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।