বর্তমান বেকারত্বের যুগে স্কুল শিক্ষকদের কি টিউশন পড়ানো উচিৎ ?

9th December 2019 শিক্ষা
বর্তমান বেকারত্বের যুগে স্কুল শিক্ষকদের কি টিউশন পড়ানো উচিৎ ?


TARIF TV: সদ্য পড়াশুনা সমাপ্ত বা পড়াশুনা চলাকালীন সময়ে দরিদ্র বাড়ীর ছেলে - মেয়েদের অর্থ উপার্জন করার প্রধান পথ হল টিউশন ।এর মাধ্যমে যদি একটু বেশী অর্থ উপার্জন কেউ কেউ করে তাহলে তারা পরিবারের দৈনন্দিন খরচেও হাত বাড়ায় । এতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যগন আনন্দিত হন এবং তার পড়াশুনার পথে কোন বাধা সৃষ্টি করেন না , তা না হলে দেখা যায় পড়াশুনা বন্ধ করে অন্য কোন কাজ করে অর্থ উপার্জনের জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারের পক্ষ থেকে । ফলে ছেলে বা মেয়েটির পড়াশুনা করার ইচ্ছা আর পুরন হয় না ।
আমাদের রাজ্যে দীর্ঘ দিন ধরে রাজ্য সরকার স্কুল - কলেজ , বিভিন্ন সরকারী দপ্তর গুলোতে লোক নিয়োগ না করার ফলে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষিত ছেলে - মেয়েরা চাকরি না পেয়ে বেকার রয়ে গিয়েছে । ফলে তাদের অর্থ উপার্জন এর প্রধান মাধ্যম টিউশন হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
কিন্তু টিউশন পড়ানোর ইচ্ছা থাকলেই তো আর পড়ানও যায় না , তার জন্য ছাত্র - ছাত্রীর প্রয়োজন হয় । বর্তমানে দেখা যাচ্ছে অভিভাবকগন নিজেদের ছেলে - মেয়েদের টিউশন একজন বেকার ছেলে- মেয়ের পরিবর্তে স্কুল এর শিক্ষকদের কাছে দেন । এর কারন হিসাবে স্কুল কলেজের পরীক্ষা ও practical পরীক্ষায় বেশী নাম্বার দেওয়ার কথা বলেন । সেই কারনে অভিভাবকরা বেশী পয়সার বিনিময়ে শিক্ষকদের কাছে টিউশন দিতে বাধ্য হন । ফলে বেকার ছেলে মেয়েরা এখন টিউশনও পাচ্ছে না।
শিক্ষক - শিক্ষিকাদের স্কুলে ভালো করে না পড়িয়ে টিউশন এ পড়ানোর প্রতিবাদে অনেক আন্দোলন হয়েছে এবং বামফ্রন্ট সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকাদের টিউশন করার উপরে । কিন্তু বাস্তবে তা রোধ করা সম্ভব হয় নি । ফলে বেকার ছেলে - মেয়েরা অর্থ উপার্জন আর করতে পারছে না । এদিকে রাজ্য সরকার শিক্ষকদের টিউশন বন্ধ করার কথা অনেক বার বললেও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি । এর ফলে বেকার ছেলে মেয়েরা খুব কষ্টে আছে ।
---- আপনারা কি মনে করেন ?





Others News

সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞান


১। *অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড* - ১৯৮৭-৮৮ - প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে।

২। *জাতীয় সাক্ষরতা উন্নয়ন* - ১৯৮৮ - সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা।

৩। *ন্যাশনাল লিটারেসি মিশন প্রোগ্রাম* - ১৯৮৮ - ১৫-৩৫ বয়স্ক ৮০ কোটি মানুষকে স্বাক্ষর করা।

৪। *জওহর রোজগার যোজনা* - ১৯৮৯ - গ্রামীণ বেকারদের কর্ম প্রদান।

৫। *নেহেরু রোজগার যোজনা* - ১৯৮৯ - শহরের বেকার সমস্যার সমাধান।

৬। *শহরের কর্ম মজুরি প্রকল্প* - ১৯৯০ - যে শহরে জনসংখ্যা ১ লক্ষের কম সেখানকার গরিবদের কাজের বিনিময়ে মজুরী ও অন্যান্য নুন্যতম ব্যবস্থার সংস্থান।

৭। *কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্প* - ১৯৯৩ - গ্রামে বছরে কমপক্ষে ১০০ দিনের কাজের নিশ্চয়তা প্রদান।

৮। *মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা* - ১৯৯৩ - পোস্ট অফিসে টাকা জমা করতে মহিলাদের উৎসাহিত করা।

৯। *শিশুশ্রমিক দূরীকরণ প্রকল্প* - ১৯৯৪ - শিশুদেরকে ক্ষতিকারক শিল্প থেকে মুক্ত করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা।

১০। *জাতীয় সামাজিক সাহায্য প্রকল্প* - ১৯৯৫ - দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের সাহায্য করা।

১১। *মিড ডে মিল স্কীম* - ১৯৯৫ - প্রাথমিক স্তরে শিক্ষায় পড়ুয়াদের উৎসাহ প্রদান ও মিড ডে মিল প্রদান।

১২। *জাতীয় বস্তি উন্নয়ন কর্মসূচী* - ১৯৯৬ - শহরের বস্তির উন্নয়ন।

১৩। *গণবন্টন ব্যবস্থা* - ১৯৯৭ - রেশনের মাধ্যমে চাল, গম, চিনি, কেরোসিন জনগণের কাছে সুষ্ঠভাবে বন্টন করা।

১৪। *অন্নপূর্ণা যোজনা* - ১৯৯৯ - পেনশনভোগী নন এমন বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের মাসে ১০ কেজি করে খাদ্যশস্য বিতরণ।

১৫। *স্বর্ণজয়ন্তী গ্রাম স্বরোজগার যোজনা* - ১৯৯৯ - গ্রামীন দারিদ্র ও বেকারত্বের দূরীকরণ এবং স্বনিযুক্তির প্রচলন।

১৬ । *জওহর গ্রাম সমৃদ্ধি যোজনা* - ১৯৯৯ - গ্রামে চাহিদাভিত্তিক পরিকাঠামো সৃষ্টি।

১৭। *প্রধানমন্ত্রী গ্রামোদয় যোজনা* - ২০০০ - গ্রামে ন্যূনতম পরিষেবা প্রদান।

১৮। *অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা* - ২০০০ - গরিবদের খাদ্যসুরক্ষা প্রদান।

১৯। *প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা* - ২০০০ - সমস্ত গ্রামের সংযুক্তিকরণ পাকা রাস্তা দিয়ে করা।

২০। *সর্বশিক্ষা অভিযান* - ২০০০ - ৬ থেকে ১৪ বছর বয়স্ক শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় ৫ বছরের পূর্তিকরণ।