স্মার্টফোন উপহার দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

4th December 2019 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
স্মার্টফোন উপহার দিলেন  শুভেন্দু অধিকারী


বাংলা নিউজঃ  খড়গপুর বিধানসভা উপ নির্বাচনে তৃনমূল প্রথমবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে । এই জয়ে শুভেন্দু অধিকারীর ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মনে করা হয় ।  কর্পোরেটের ধাঁচে ভাল ‘পারফরম্যান্স’ বা কাজের জন্য ইনসেন্টিভ বা পুরস্কার দেওয়ার রেওয়াজ এ বার রাজনীতির আঙিনায় নিয়ে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। খড়্গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রের সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের ‘সৈনিক’, ৫৪ জন দলীয় পর্যবেক্ষককে স্মার্টফোন উপহার দিলেন তিনি।

খড়্গপুরে উপনির্বাচনের প্রস্তুতিতে ৫৪ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেন পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল পর্যবেক্ষক শুভেন্দু। তাঁদের নিয়ে জুনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি হয়। পরে মেদিনীপুরে কাজ করবেন ওই পর্যবেক্ষকেরা। জয়ের পরে খড়্গপুরে গিয়ে শহরবাসীকে প্রণাম জানান শুভেন্দু। একই চিত্র কালিয়াগঞ্জে। ফল ঘোষণার পরে মঙ্গলবারেই প্রথম বিধানসভায় যান শুভেন্দু। তাঁকে অভিনন্দন জানান তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কেরা। বিরোধী দু’-এক জন বিধায়কও সেই তালিকায় ছিলেন।





Others News

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে প্রায় ৪ হাজার অভিযোগ গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে প্রায় ৪ হাজার অভিযোগ গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে


বাংলা খবরঃ শুধু পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকেই প্রায় ৪ হাজার অভিযোগ গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের ‘গ্রিভান্স অ্যান্ড রিড্রেসাল সেল’-এ। মানুষের মন বুঝতে কয়েক মাস আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে নবান্নে ওই সেল খোলা হয়েছে। টোল ফ্রি ফোন নম্বরের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ই-মেল আইডি ও হোয়াটস্অ্যাপ নম্বর। তবে অভিযোগের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের একাংশের ঢিলেমি রয়েছে বলে নালিশ অভিযোগকারীদের একাংশের।

জেলা প্রশাসনের এক সূত্রে খবর, ওই সেলে কোনও অভিযোগ পৌঁছনোর পরে জেলার কাছে ‘অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট’ (এটিআর) তলব করা হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে সেটা জানাতে বলা হয়। ওই সূত্রে খবর, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত নবান্ন হয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩,৮১৬টি অভিযোগ এসেছে। তার মধ্যে ২,৩১৯টির ক্ষেত্রে জেলা থেকে ‘অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট’ পাঠানো হয়েছে। বাকি অভিযোগগুলি এখনও পড়েই রয়েছে। জানা যাচ্ছে, ৩,৮১৬টি অভিযোগের মধ্যে ৩,৭৬৬টি অভিযোগই এসেছে নভেম্বরের মধ্যে। বেশিরভাগ অভিযোগই রাস্তা সংক্রান্ত। এছাড়া সেতু, সরকারি প্রকল্পের ঘর, পেনশন, ভাতা, স্কলারশিপ, কন্যাশ্রী, সবুজসাথী, জাতিগত শংসাপত্র, পুলিশি নিস্ক্রিয়তা প্রভৃতি নানা বিষয় নিয়ে অভিযোগও এসেছে।

মাস তিনেক আগে এই পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় এক প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে সরকারি কাজে দেরি হলে তিনি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেরি করবেন না। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে যে তাঁর কাছে অভিযোগ বেশি যাচ্ছে তাও জানিয়েছিলেন তিনি। তারপরেও অভিযোগের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ঢিলেমি কেন? জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের আশ্বাস, ‘‘কোথায় কত অভিযোগ পড়ে রয়েছে, কেন পড়ে রয়েছে, সে সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’ তিনি জানাচ্ছেন, ইতিমধ্যেই পুরো পদ্ধতিকে অনলাইন করা হয়েছে। 

পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক রশ্মি কমল বলেন, ‘‘বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে। রাস্তাঘাট, সরকারি প্রকল্পের ঘর নিয়েও কিছু অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলির একে একে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। সমস্যাগুলিরও সুরাহা করা হচ্ছে।’’