বিদ্যাসাগরের বহু নথি উদ্ধার সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুপ্ত জোড়া সিন্দুক থেকে

30th November 2019 পশ্চিমবঙ্গ
বিদ্যাসাগরের বহু নথি উদ্ধার সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুপ্ত  জোড়া সিন্দুক থেকে


TARIF TV নিউজ বাংলাঃ  শুক্রবার সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে খোলা হয় একটি সিন্দুক এবং একটি দেওয়াল-সিন্দুক। সিন্দুকটি ছিল গুদামঘরে। লন্ডনের চাব’স কোম্পানির তৈরি সিন্দুকটি খুলতে বেশ খানিকটা বেগ পেতে হয়। প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় সিন্দুক খোলা গিয়েছে। সেই সিন্দুকে পাওয়া গিয়েছে বিভিন্ন নথি এবং রুপোর পদক।

সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২৪ সালে। বিদ্যাসাগরের জন্ম তার চার বছর আগে। কালক্রমে সেই কলেজের পড়ুয়া ও প্রধান পুরুষ হয়ে ওঠেন বিদ্যাসাগর। তাঁর অনন্য কীর্তির মধ্যে আছে বিধবা বিবাহ প্রবর্তন এবং নারী শিক্ষা। এ দিন সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে যে-সিন্দুক খোলা হল, তাতে বিধবাদের সাহায্য করার জন্য তৈরি ‘মুক্তকেশী দেবী তহবিল’-এর নথি পাওয়া গিয়েছে। নথিটি ১৯৫৬ সালের। মনে করা হচ্ছে, তহবিলটি দীর্ঘদিন ধরেই চালু ছিল।

এই নথি বিধবা বিবাহ প্রচলনে বিদ্যাসাগরের লড়াইকেই মনে করিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, মুক্তকেশী দেবী বিধবা তহবিল স্বয়ং বিদ্যাসাগর চালু করেছিলেন কি না, সেটা গবেষণার বিষয়। তবে এ দিন যে-নথি পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে মনে হচ্ছে, স্বামীহারা মহিলারা ওই তহবিল থেকে মাসিক দু’টাকা সাহায্য পেতেন। দেখা যাচ্ছে, মোট আট জন টাকা পেয়ে প্রাপ্তি স্বীকার করেছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন সই করেছেন, ছ’জন দিয়েছেন টিপছাপ। ‘‘এমনই ইতিহাস লুকিয়ে ছিল ওই সিন্দুকে। শুধুই লেখাপড়া নয়, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যে কত বড় সমাজ সংস্কারের কাজ হত, তা বোঝা যাচ্ছে,’’ বলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’