মহিলাদের স্বনির্ভর করতে নতুন পরিকল্পনা "জাগো" নিয়ে আসতে চলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি

29th November 2019 পশ্চিমবঙ্গ
মহিলাদের স্বনির্ভর করতে নতুন পরিকল্পনা


একটি  নতুন প্রকল্পের নাম ‘‌জাগো’‌। আর জাগো প্রকল্পের মধ্যে দিয়েই রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে চাঙ্গা করে তোলা হবে। যার মধ্যে এসে মহিলারাও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে যাতে মহিলারা কাজ করে টাকা উপার্জন করতে পারেন তার জন্যই এই পদক্ষেপ। লোকসভা নির্বাচনের পরে এবং উপনির্বাচনের আগে জেলা সফরে বারবার গিয়েছেন তিনি। তাই মানুষের সমস্যা তাঁর নজরে ছিল। সেখান থেকেই এই ভাবনা বলে মনে করা হচ্ছে। 
কী সেই ‘‌জাগো’‌ প্রকল্প?‌ সরকারি সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের মাধ্যমে à§« লক্ষ টাকা এককালীন দেওয়া হবে। জাগো প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হবে ৫০০ কোটি টাকা। মহিলাদের স্বনির্ভর করতে নতুন প্রকল্প ‘‌জাগো’‌ সম্পূর্ণ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মস্তিষ্কপ্রসূত বলে খবর। ‌‌





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’